Friday, March 4, 2016
HASTAKSHEP sabse jaruri!हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें!
রাত দুপুরে আজাদি,ধন্যবাদ জেএনউ! বাবাসাহেবের মিশন সমাজ বিপ্লব এবং ভারতীয় সাম্যবাদী আন্দোলনের নবজন্ম,ধন্যবাদ! পলাশ বিশ্বাস
রাত দুপুরে আজাদি,ধন্যবাদ জেএনউ!
বাবাসাহেবের মিশন সমাজ বিপ্লব এবং ভারতীয় সাম্যবাদী আন্দোলনের নবজন্ম,ধন্যবাদ!
পলাশ বিশ্বাস
ঋত্বিক ঘটকের মেঘে ঢাকা তারার সেই বিখ্যাত শেষ দৃশ্য ঠিক তখনই মনে পড়ে গেল ,যখন জেল ফেরত জেএনউ ছাত্র সংঘের প্রেসিডেন্ট কানহাইয়া আকাশ বাতাশ কাঁপিয়ে সারেগামার বিলম্বিত লয়ে শ্লোগান তুললেন- লড়েঙ্গে! জিতেঙ্গে!সত্তরের দশকে আমরা যারা ছাত্র আন্দোলন করেছি,তাদের সুরে ছিল গণসঙ্গীত,লোক সংস্কৃতি ও গণনাট্য,পথ নাটিকা!
কিন্ত প্রথমবার শোনা গেল জয় ভীম কমরেড!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুস্মৃতি রাজ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ ব্রাহ্মণ্যবাদ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুবাদ!
সত্তরের দশকে আমরা যারা ছাত্র আন্দোলন করেছি,তাদের কন্ঠে ছিল না রোহিত ভেমুলা!
সত্তরের দশকে আমরা যারা ছাত্র আন্দোলন করেছি,তাদের
কথায বক্তৃতায় ছিল না দলিত পিছড়ে আদিবাসী বহুজন দরিদ্র মূক বারতবাসীর জীবন জীবিকার সমাজ বাস্তব!
সত্তরের দশকে আমরা যারা ছাত্র আন্দোলন করেছি,তাদের মিছিলের পুরোভাগে ছিল না কোনো বাবাসাহেব!
তাই ত মনুস্মৃতি দাবি করেছিলেন রোহিত বামুলা ওবিসি!
আজ দলিত ওবিসি,পিছড়ে,আদিবাসী,বর্ণহিন্দু,সংক্যালঘু ছাত্র যুব সমাজের কোনো পরিচয় নেই!জাতি নেই!ধর্ম নেই!
সব পরিচয় ছাপিয়ে ভারতের নাগরিকত্ব,ভারতের গণতন্ত্র ও ভারতের সংবিধানকে বাঁচানোর লড়াইয়ে তারা সবাই মাস্টারদা!
সব পরিচয় ছাপিয়ে ভারতের নাগরিকত্ব,ভারতের গণতন্ত্র ও ভারতের সংবিধানকে বাঁচানোর লড়াইয়ে তারা সবাই সাঁওতাল বিদ্রোহে মুন্ডা বিদ্রোহে সন্যাসী বিদ্রোহে নীল বিদ্রোহে,চুয়াড় বিদ্রোহে,তেভাগায়,তেলেঙ্গানায় একাকার এবং তাঁদের দাবি সব মানুষের স্বাধীনতা,সব মানুষের হক হকুক,সব মানুষের জীবন জীবিকা,জল জঙ্গল জমীন!
সব পরিচয় ছাপিয়ে ভারতের নাগরিকত্ব,ভারতের গণতন্ত্র ও ভারতের সংবিধানকে বাঁচানোর লড়াইয়ে তারা সবাই শহীদে আজম ভগতসিংহ,চন্দ্রশেখর আজাদ,প্রফুল্ল চাকী,ক্ষুদিরাম বসু,যতীন দাস মাতঙ্গিনী হাজরা বিরসা মুন্ডা সিধো কান্হো!
মেঘে ঢাকার সেই শেষ দৃশ্যে নীতার সেই হিমাদ্রিশিখর কাঁপানো সারেগামা চিত্কার -দাদা,আমি বাঁচতে চাই!
জেএনউ থেকে সারা বিশ্ব ছাপিয়ে একই সঙ্গীত মুর্ছনায় বসন্তের আলোড়নে রবীন্দ্রনাথের ভারততীর্থ !
সঙ্গীতবদ্ধ ছাত্র যুব সমাজের সমাজ বিপ্লবের এই শপথ রাত দুপুরে আজাদি!
ধন্যবাদ জেএনউ!
বাবাসাহেবের মিশন সমাজ বিপ্লব এবং ভারতীয় সাম্যবাদী আন্দোলনেন নবজন্ম,ধন্যবাদ!
নাথুরাম গোডসেকে ঈশ্বরের আসনে বসিয়ে রাষ্ট্রনেতা গান্ধীকে বারম্বার হত্যা করার আয়োজনে গান্ধী ফিরে এসেছেন বার বার!
এই প্রথম বাবাসাহেব ফিরে এলেন!
নীল সাড়ি পরিহিতা মনুস্মৃতি মা যে সন্তানকে বধ করেছেন,সেই রোহিত ভেমুলার ছবি প্রতিচ্ছবি থেকে ইতিহাস ফিরে এল!এই প্রথম বাবাসাহেব ফিরে এলেন!
ইতিহাসের বর্তমান অধ্যায়ে প্রবল ভাবে ফিরে এলেন সেই বাবা সাহেব ডঃ আম্বেডকর যিনি রাজনীতি শুরু করেছিলেন প্রবলেম অফ রুপি লিখে!
ফিরে এলেন সেই বাবা সাহেব ডঃ আম্বেডকর যিনি ওয়ার্কর্স পার্টি গঠন করেছিলেন মেহনতী মানুষের হক হকুক কে লিয়ে!
সেই বাবা সাহেব ডঃ আম্বেডকর ফিরে এলেন যিনি শমিক শ্রেণীর অধিকার সুনিশ্চিত করে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন করার অধিকার,মাতৃত্ব অবকাশের অধিকার ব্রিটিশ সরকারে লেবার মিনিস্টারের ভূমিকায় সুনিশ্চিত করেও ভারতীয় কম্যুনিস্ট আন্দোলনে চিরকালই অছুত থেকে গেলেন এবং সর্বহারা মেহনতী মানুষ,ঔ লাল নীল জনতা ভারত ভাগের আগেই ভাগ হয়ে গেল!
সমাজ বিপ্লব ও বিপ্লবের মেরুকরণ হল!
ধন্যবাদ জেএনউ!
ধন্যবাদ রাত দুপুরে আজাদি!
ধন্যবাদ সমাজ বিপ্লবের সারেগামা এবং বিপ্লব ও সমাজ বিপ্লব,লাল নীল একাকার হওয়ার বসন্ত!
নন্দিনী আর একা নয়!
সুড়ুঙ্গের মুখে নয়,মিছিলের মুখ হয়ে লাখো লাখ নন্দিনীরা জেএনউর ছাত্রীদের মত মশাল হাতে বেরিয়ে পড়েছে অন্ধকারের সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে!
জয় ভীম কমরেড!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুস্মৃতি রাজ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ ব্রাহ্মণ্যবাদ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুবাদ!
সত্তরের দশকেও লাল ঝান্ডা ছিল,কিন্তু নীল সমুদ্রের দেখা মেলেনি!মনুস্মৃতি রাজের পাযদল বাহিনী হয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদের জাদু মহলে বন্দী চিলেন বাবাসাহেব!
সত্তরের দশকে আমরা রোহিত ভেমুলার মুখ চিনতাম না! সত্তরের দশকে আমরা বাবাসাহেবের মুখ চিনতাম না!
সত্তরের দশকে নন্দিনী সুড়ুঙ্গের মুখেই থমকে থেকে নীরা হয়ে গিয়েচিল,এবং আমরা তার হাত ধরে থেকেছি,তার ভালোবাসার আলোকে হাতিয়ার করে অন্ধকারের সাম্রাজ্যকে আমরা আক্রমণ করতে পারিনি!
রাত দুপুরে আমরা সরাসরি সেই বহুপ্রতীক্ষিত শ্লোগান শুনেছি বলে আমার মনে নেই- পুরুষতন্ত্র নিপাত যাক্!
মনুস্মৃতি শাসনে শুদ্র দেবদাসী সেক্সস্লেভ হয়ে যাওয়া কন্ডোম গণনা অভিযানের শিকার স্রীর জন্যআজাদির শ্লোগান কিন্তি সোচ্চার কন্ঠে খোলা তরওয়ারির মত রাতের অন্ধকার চিরে আলোর ফোয়ারা হয়ে ঝলছে উঠে চিত্কার করেছে বাববার স্ত্রী স্বাধীনতাও চাই!
সমাজ বিপ্লবের,বিপ্লেবের সিংহ গর্জনে মেকি সিংহদের হারিয়ে যাওযার সময়ের মুখোমুখি আমরা!
হাজারো বছরের আমদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের রক্তধারার মিলনে যে মহামানবের সাগর হয়ে গেছে বারতবর্ষ,তার সিংহ গর্জনে কেঁপে উঠেছে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারি!
ভারত সে নেহি,ভারত মে আজাদি চাহিয়ে!
সেই আজাদিতে জাতি ধর্ম ভাষা লিঙ্গ নিরপেক্ষ সমস্তভারতবাসীর আজাদির আকাঙ্খার প্রতিধ্বনি!
সেই আজাদির শ্লোগানে মুকম্মল ভারতবর্ষ.যার নীল লাল নক্শায়,মানববন্ধনে ভারতবর্ষের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য!
জয় ভীম কমরেড!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুস্মৃতি রাজ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ ব্রাহ্মণ্যবাদ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুবাদ!
দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল জেএনইউয়ের ছাত্র সংসদ সভাপতি কানহাইয়া কুমারকে।
বৃহস্পতিবার শর্তসাপেক্ষে আদালতের নির্দেশে মুক্তি পেয়েই ফের জেএনইউয়ের ফিরে গেলেন তিনি। আর একইসঙ্গে ক্যাম্পাসে ফিরেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় ক্ষোভ উগরে দিলেন কানহাইয়া কুমার। জানালেন, ভারত থেকে নয়, ভারতের মধ্যে থেকেই আজাদি চান তারা। আর আগামী দিনেও আজাদির জন্যই লড়ে যাবেন।
সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণুতা, জাতপাতের বিভেদ থেকে তারা আজাদি চাইছেন। একইসঙ্গে মোদী সরকারকেও তীব্র কটাক্ষে ভরিয়ে দিয়েছেন কানহাইয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে তাঁর উক্তি, বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি মোদীজি দিয়েছিলেন তা এখনও কানে বাজছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যদিকে নজর ঘোরাতেই নানাকিছু করতে চাইছে মোদী সরকার।
প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতারির পরে গত বুধবার কানহাইয়াকে ছয় মাসের জামিন দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি প্রতিভা রানির নেতৃত্বে এই রায় দেওয়া দেয়। এরপরে বৃহস্পতিবার জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজা জেএনইউয়ে ফিরে যান কানহাইয়া কুমার।
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়য়ের (জেএনইউ) ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমার। দিল্লির তিহার জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা ২০ মিনিটে জেএনইউ ক্যম্পাসে বক্তব্য রাখেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল উল্লাসের মধ্যে ৪০ মিনিট ধরে বক্তব্য রাখার সময় তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে কানহাইয়া বলেন, 'দেশে যা হচ্ছে তা বিপজ্জনক প্রবণতা। আপনি মিথ্যাকে মিথ্যা করতে পারেন কিন্তু সত্যকে মিথ্যায় পরিণত করতে পারবেন না।'
তিনি বিজেপি এবং আরএসএস-এর উদ্দেশ্যে বলেন, 'আমাদের আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্ত। এই আন্দোলনকে তোমরা দাবিয়ে রাখতে পারবে না। তোমরা যতই আমাদের চাপা দেয়ার চেষ্টা করবে, আমরা ততই শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াব।'
তিনি বলেন, 'অত্যাচারের বিরুদ্ধে জেএনইউ সবসময় তার আওয়াজ তুলেছে। ভবিষ্যতেও তা করতে থাকবে। জেএনইউয়ের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। আমরা ভারত থেকে আজাদি নয়, ভারতে আজাদি দাবি করেছি।' তিনি তিহার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে আরএসএস থেকে আজাদি, ক্ষুধা থেকে আজাদি, জাতিবাদ, মনুবাদ থেকে আজাদি প্রসঙ্গে স্লোগান তোলেন।
বিজেপি'র ছাত্র শাখা এবিভিপি প্রসঙ্গে বলেন, 'আমরা এবিভিপিকে বিরোধী দল হিসেবে মনে করে থাকি, শত্রু হিসেবে নয়।'
প্রধানমন্ত্রীর কালো টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে কানহাইয়া বলেন, আজ পর্যন্ত কালো টাকা ফিরে আসেনি। এছাড়াও বিভিন্ন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন কানহাইয়া।
কানহাইয়া বলেন, জেএনইউ সম্পর্কে পুরো পরিকল্পনা নাগপুর (আরএসএসের সদর দফতর) থেকে করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদিজি 'মন কি বাত' মনের কথা বলে থাকেন কিন্তু শোনেন না কিছু।
তিনি বলেন, 'দেশে জনবিরোধী সরকার রয়েছে। এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে সাইবার সেলের পক্ষ থেকে বিকৃত ভিডিও দেখানো হবে। এটা মনে রাখতে হবে তাদের মতাদর্শ দেশের ৬৯ শতাংশ মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা কেবল ৩১ শতাংশ লোক।
জেএনইউ ছাত্র সংঘের প্রেসিডেন্ট কানহাইয়া কুমারকে দেশদ্রোহের অভিযোগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ার পরে বুধবার তিনি দিল্লি হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে দিল্লির তিহার জেল থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুক্তি পান কানহাইয়া কুমার। তাকে নিয়ে কার্যত গভীর রাত পর্যন্ত উৎসব চলে জেএনইউ ক্যাম্পাসে। তার গ্রামের বাড়িতেও শুরু হয় আনন্দ উল্লাস।#
রাত দুপুরে আজাদি,ধন্যবাদ জেএনউ!
বাবাসাহেবের মিশন সমাজ বিপ্লব এবং ভারতীয় সাম্যবাদী আন্দোলনের নবজন্ম,ধন্যবাদ!
জয় ভীম কমরেড!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুস্মৃতি রাজ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ ব্রাহ্মণ্যবাদ!
ফিরে এল বাবাসাহেবের মিশন,নিপাত যাক্ মনুবাদ!
Thursday, March 3, 2016
জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান! কানহাইয়া তিহার থেকে ছাড়া পেলেন তবু না দমে ওরাঁ আজই হুমকি দিচ্ছেন বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে,ঔ সব বেয়াড়া ছাত্র ছাত্রীদের ছ ইন্চি ছোট করে দেবেন! আজই এই বাংলা থেকে আওয়াজ উঠল অদূরদর্শী মানব সম্পদ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির পদত্যাগ চাই! সেই পিটিশান এই লেখার সঙ্গে আবার যোগ করলাম,বাংলার শুভবুদ্ধির,বিবেকের দরবারে! পলাশ বিশ্বাস
জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
কানহাইয়া তিহার থেকে ছাড়া পেলেন তবু না দমে ওরাঁ আজই হুমকি দিচ্ছেন বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে,ঔ সব বেয়াড়া ছাত্র ছাত্রীদের ছ ইন্চি ছোট করে দেবেন!
আজই এই বাংলা থেকে আওয়াজ উঠল অদূরদর্শী মানব সম্পদ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির পদত্যাগ চাই!
সেই পিটিশান এই লেখার সঙ্গে আবার যোগ করলাম,বাংলার শুভবুদ্ধির,বিবেকের দরবারে!
পলাশ বিশ্বাস
অবশেষে তিহার থেকে ছাড়া পেলেন।
কানহাইয়া তিহার থেকে ছাড়া পেলেন অবশেষে।
আজই এই বাংলা থেকে আওয়াজ উঠল অদূরদর্শী মানব সম্পদ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির পদত্যাগ চাই!
আমরা আমদের ব্লগে,সোশাল মীডিয়ায আজ সকাল থেকে লাগাতার এই পিটিশান শেয়ার করছি।আপনারাও করুন।
যারা বাংলা দখলের বর্গী আক্রমণ প্রতিহত করতে চান,যারা চান না যে ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কন্ঠরোধ করে, তাঁদের দেশদ্রোহী তকমা দিয়ে তাঁদের ছ ইন্চি ছোট করার হুমকি শেষপর্যন্ত বাংলার শাসন ক্ষমতা দখলের পরিণতি পাক,জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
যারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে,বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধ,অসহিষ্ণুতা ও ঘৃণা বিদ্বেষ নির্ভর ধর্মোন্মদের বিরুদ্ধে,জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
স্বাধীনতার মূল্য দিয়ে এই নদীমাতৃক সোনার বাংলার সব নদী,সমস্ত জলের উত্স,বাদা বন ,পাহাড়ে আমরা এতদিন শুধু রক্তের বন্যায় ভেসে চলেছি,এই ভারত বিভাজনের রাজনীতি,এই রক্ত নদীর বন্যার যারা শেষ চান,জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন,মতামতের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন,মানুষের আস্থা,জীবন জীবিকার সম্মান করতে পিছপা হন না,যারা সাম্যের পক্ষে,অন্যায় অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধ মনুষ্যতা ও সভ্যতার স্বাধীনতা চান,যারা প্রগতির পক্ষে,যারা অন্ধকারের সাম্রাজ্যে আলোর ঠিকানা ভোলেন নি এবং নরকের কীট বিষাক্ত ভাইরাস দংশনে শিশুদের জন্য এই পৃথীবীকে বসবাস অযোগ্য করে তোলার যাবতীযউপক্রমের বিরুদ্ধে,জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
এই বাংলার পিছিয়ে পড়া মানুষের,দলিত দরিদ্র আদিবাসী মেহনতী সংখ্যালঘুদের সন্তানের নিয়তি রোহিত ভেমুলার মত না হোক্,তাঁদের কাছে বিনম্র নিবেদন,শুধু পড়লে হবে না,প্রথমতঃ এই পিটিশানে স্বাক্ষর করুন,শেযার করুন এবং জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
যারা মাতৃভক্ত, পুরুষতান্ত্রিক সামন্তবাদী মনুস্মৃতিতে নারীত্বকে ধর্ষণ সুনামির শিকার হতে দিতে যাদের মনুষত্যে বাধে,যারা বর্বর অসভ্য সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান না সভ্যতার ইতিহাসকে,যারা জীবন ও জীবিকার স্বাধীনতার পক্ষে,প্রথমতঃ এই পিটিশানে স্বাক্ষর করুন,শেযার করুন এবং জাতের নামে বজ্জাতির রাজনীতির বিরুদ্ধে শিরদাঁড়া সোজা করে রুখে দাঁড়ান!
সেই পিটিশান এই লেখার সঙ্গে আবার যোগ করলাম,বাংলার শুভবুদ্ধির,বিবেকের দরবারে!
হায়দারাবাদে দলিত স্কলার রোহিত ভেমুলা মনুস্মৃতির বলি হওয়ার পর জাতি উন্মুলনের আম্বেডকরি মিশন নিয়ে আজকের ছাত্র যুব প্রজন্মের ঐতিহাসিক আন্দোলনের ডাক-জাত পাত নিপাত যাক!মনুবাদ নিপাত যাক্!
দেশে সর্বত্র ঔ ছেলেমেয়েরা আক্রান্ত,তাঁদের পাশে দৃঢ় পদক্ষেপে দাঁড়াবে না যারা,মনুষত্বের ইতিহাস তাঁদের কোনোদিন মাফ করবে না,সে তিনি যত বড়ই হোমরা চামরা হোন না কেন!
আপনি পাশে থারুন অথবা না থাকুন,ইতিহাস পিছন ফিরে তাকাবে না,ভারতবর্ষের সবগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতন্ত্র ও বাক্ স্বাধীনতার লড়াই শুরু হয়ে গেছে।এ লড়াই চলবে!
ওরাঁ অন্ধকারকে আর ভয় পায় না!
ওরাঁ আলোর সন্ধানে নেমেছে,ওরাঁ ঔ আলোকেরই সন্তান সন্ততি!ওদের মুখ ভালোবাসার মুখ!ওদের গানে বসন্তের জয়!ভালোবাসার জয়!ওদের জয় হবেই হবে!
ঔ ছয় ইন্চি ছোট করে দিলেও ওদের হারানো যাবে না!
এ মিছিল শুধু ওদের মিছিল নয়,ঔ মিচছিলে শামিল ভারততীর্থে সমাহিত মনুষত্বের শত সহস্র ধারা!
ঔ মিছিলের পাশে আছেন রবীন্দ্রনাথ,নেতাজি,জগদীশচন্দ্র , মাইকেল,ঈশ্বর চন্দ্র,নজরুল,জীবনানন্দ সবাই,আমরা থাকি না থাকি,সময় তৈরি করবেই ইতিহাস!
মিছিলের শ্লোগান মনুস্মৃতি শাসন নিপাত যাক্!
বর্ণ বৈষম্য নিপাত যাক্!
শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সন্ত্রাসের,বর্ণ বৈষম্যের মুক্তবাজারি মনুস্মৃতির বিরুদ্ধে জোর আন্দোলন চলছে!
নয়া দিল্লীতে এই আন্দোলনের নেতৃত্বে জেএনউ!
জেএনউতে ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সত্তর শতাংশ!
দলিত,ওবিসি,সংখ্যালঘু ,আদিবাসী ছাত্র ছাত্রীরা সেখানে সবচেয়ে বেশি পড়ার সুযোগ পান!
শুধু তাই নয়,এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় আশি শতাংশ ছেলে মেয়েরা আর্থির ভাবে দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান!
দেশদ্রোহী তকমা দিয়ে যাদের কন্ঠরোধ করার অভিযান চলছে অসত্যের বেসরা সাজিয়ে,তারা সবাই দরিদ্র বা অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান!
যেমন কানহাইযার পরিবারের মোট আয় মাত্র ছ হাজার টাকা এবং তার মা আঙন বাড়ি কর্মী!
রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহারে নাগরিক ও মানব অধিকারের অবমাননার বিরুদ্ধে,জল জঙ্গল জমিন থেকে সাধারণ মানুষের উত্খাতের বিরুদ্ধে,অমানবিক জাতি ব্যবস্থা ও বর্ণবেষম্য,নিরন্কুশ ফ্যাসিজ্মের অসহিষ্ণুতরা বিরুদ্ধে তারাই ভারতীয় আম জনতার জীবন জীবিকা যন্ত্রণার চিত্কারগুলিকে রাজপথে প্রতিধ্বনিত করছিল বার বার!
ভারতবর্ষ শুধু ভূগোল নয়!
রাজনীতিতে,মনুস্মৃতি শাসনে, সন্ত্রাসে, অত্যাচারে, উত্পীড়নে,নিপীড়ণে,ধর্ষণে খন্ডিত বিখন্ডিত ভারততীর্থের প্রতি ধূলিকণা নিয়ে ওরা আবার অগ্নিপাখীর প্রাণ ফেরানোর অগ্নিপরীক্ষায় নেমেছে,ওরাঁ আমাদেরই সন্তান!
সেই জন্যেই #Shut Down JNU!
স্বাধীনতা,সমতা,ন্য়াযের দাবিতে জেএনউর পাশে দাঁড়িয়েচে এই বাংলার ভবিষ্যত প্রজন্ম,আমাদেরই কলজের টুকরোরা!
তাই#Shut Down JADAVPUR UNIVERSITY!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কামানের গোলা দিয়ে বাবরি হয়নি,স্বর্ণমন্দির ব্লুস্টারও হয়নি,সৃষ্টি হয়েছে নয়া ইতিহাস,আমাদের সেই বাঙালিত্বের হৃত্পিন্ডের নামে ও আামার জন্মভূমি,ও আমার সোনার বাংলা এবং অবশ্যই জন গণ মন অধিনায়কের ইতিহাস!
প্রথমে ওরা হুমকি দিয়েছিল এই বাংলায় গৈরিক বাহিনী ক্ষমতায় থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ওদের কলার টেনে মারতেন!
নয়া দিল্লীর রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁরা বাংলার ছেলেমেয়েদের উচিত শিক্ষা দিতে তাঁদের গায়েও দেশদ্রোহী তকমা সাঁটার কম চেষ্টা করেননি!
বাংলার মানুষের শুভবুদ্ধি বিবেক ও ঐতিহ্যর কারণে,একযোগে বাংলার সম দল নির্বিশেষ প্রতিরোধের কারণে আমাদের ছেলেমেয়েদের ওরা অব্যহতি দিতে বাধ্য হন ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে লাগাতার চাপ সৃষ্টির পরও!যাদবপুর ওদের ঔ ফ্যাসিস্ট আক্রমণ প্রতিহত করেছে!করবে!
আমরা পাশে রোহিত ভেমুলা!
রোহিত ভেমুলা মরেও মরে নাই!
সব ছেলেমেয়ের মুখ ভালোবাসার মুখ!
সব চেলেমেয়ের মুখ রোহিত বেমুলার মুখ!
আমরা পাসে আছি জেএনউ!
আমরা পাশে আছি যাদবপুর!
হায়দারাবাদে দলিত স্কলার রোহিত ভেমুলা মনুস্মৃতির বলি হওয়ার পর জাতি উন্মুলনের আম্বেডকরি মিশন নিয়ে আজকের ছাত্র যুব প্রজন্মের ঐতিহাসিক আন্দোলনের ডাক-জাত পাত নিপাত যাক!মনুবাদ নিপাত যাক্!
দেশে সর্বত্র ঔ ছেলেমেয়েরা আক্রান্ত,তাঁদের পাশে দৃঢ় পদক্ষেপে দাঁড়াবে না যারা,মনুষত্বের ইতিহাস তাঁদের কোনোদিন মাফ করবে না,সে তিনি যত বড়ই হোমরা চামরা হোন না কেন!
তাই এখন তারাই আবার জেএনউয়ের দেশদ্রোহীদের ছ ইন্চি ছোট করার হুমকি দিয়ে গেরুয়া মেরুকরণ মার্ফত বাংলা বর্গি বাহিনীর দখলে দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন!
নেতাজি এই জাতের নামে বজ্জাতি,সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে তাঁর শেষ ভাষনে সময় থাকিতে সাবধান হউন,সতর্ক বার্তা জারি করেছিলেন!
আমরা বার বার সেই শেষ সতর্ক বার্তা শেয়ার করছি তা
র অপরিসীম প্রাসঙ্গিকতার জন্য।আজও এই লেখার সঙ্গে সেই সতর্কবার্তা থাকছে।
অদূরদর্শী মানব সম্পদ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির পদত্যাগ চাই

Smt. Smriti Zubin Irani
Minister of Human Resource Development

